Advertisement
  1. Computer Skills
  2. Terminal

১০টি টার্মিনাল কমান্ড যা সব ম্যাক ইউজারের জানা উচিৎ

by
Read Time:8 minsLanguages:
This post is part of a series called Taming The Terminal.
How to Play Tetris, Pong and Other Hidden Games on Your Mac
Quick Tip: Organize Your Dock With Spacers

Bengali (বাংলা) translation by Arnab Wahid (you can also view the original English article)

ম্যাকের টার্মিনাল এই আপারেটিং সিস্টেমের একটি অনেক অবহেলিত ফিচার। নতুন ম্যাক ইউজাররা এটি ব্যবহার করতে ভয় পায় কারণ তাদের মনে হয় এটি অনেক কঠিন কোন জিনিষ। আসলে এখানে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। টার্মিনাল ইউজ করা অনেক সহজ একটি কাজ। এটার জন্য কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। টার্মিনাল ব্যবহার জানলে ম্যাকের অপারেটিং সিস্টেম চালানো অনেক আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে। তাই যেই ১০টি টার্মিনাল কমান্ড সকল বিগিনারদের জানা উচিৎ, সেগুলো একটি লিস্ট এই টিউটোরিয়ালে তুলে ধরা হল।

শুরু করার আগে...

আপনি কি জানেন, এনভাটো মার্কেটে কিছু ম্যাক অ্যাপ পাওয়া যায়? যেমন, Awesome Live Chat Desk OS X যেটি লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে কাস্তমার সাপোর্ট দেয়া সম্ভব করে তোলে, এটি ম্যাক নোটিফিকেশন ব্যবহার করে কাজ করে।

Live chat support for MacLive chat support for MacLive chat support for Mac

শেখা শুরু করার আগে, বুঝে নেয়া উচিৎ যে টার্মিনাল আসলে কি (যারা প্রোগ্রামার না তাদের ভাষায় বর্ননা করা হল)।

Terminal OS XTerminal OS XTerminal OS X
OS X (Lion) এর Terminal.app

ম্যাকের টার্মিনাল, (যার অফিশিয়াল নাম Termina.app), একটি ইউনিক্স কমান্ড ইমিউলেটর। ( OS X একটি ইউনিক্স বেইসড অপারেটিং সিস্টেম, এটি উইন্ডোজের জন্য NT বেইসড না )। OS X এ গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস বা GUI আছে, কিন্তু টার্মিনাল টেক্সট বেইজড। এখানে সব কমান্ড টেক্সট টাইপ করে এক্সিকিউট করতে হয় বিধায় অনেক উইজার এটি ব্যবহার ভয় পান।

টার্মিনাল অ্যাপ কিভাবে কাজ করে, এটা আমরা বিস্তারিত বর্ণনা দেবো না, কিন্তু টিউটোরিয়ালের শুরুতেই এই ৩টি কমান্ড শিখে নেয়া ভালোঃ

  • ls - এটা একটি ডাইরেক্টরির সকল কন্টেন্ট লিস্ট করে টার্মিনাল উইন্ডো তে শো করে।
  • cd - এটি ডাইরেক্টরি চেঞ্জ করে (ঠিক DOS এর মত)
  • sudo - এটি সুপার ইউজার অথেন্টিকেশনে ব্যবহৃত হয়, এতে এক্সট্রা সিকিউরিটি প্রিভিলেজ পাওয়া যায়।

টিপঃ sudo কমান্ড সাবধানতা অবলম্বন করে ব্যবহার করতে হবে। এটা ব্যবহারের সময় OS X সিস্টেম পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যাডমিন হিসেবে সব কাজ হয়ে থাকে। তাই সামান্য ভুলের কারণে সিস্টেমে ঝামেলা হতে পারে। কোন কমান্ড নিয়ে সন্দেহ থাকলে, সেটি ব্যবহার না করাই ভালো!

১। Lion/Mountain Lion এর পপআপ উইন্ডো ডিজেবল করা।

অন্য ভাষায় যারা লেখা লেখি বেশি করেন, কোন কি বেশিক্ষন চেপে ধরে রাখলে অ্যাকসেন্ট পপআপ উইন্ডো ওপেন হয়। সামান্য লেখালেখিতে এটি সুবিধা হলেও, বেশি লেখার সময় বার বার এই পপআপ আসা অনেক বিরক্তিকর। এই কমান্ড দিয়ে সেটা ডিসেবল করা যায়ঃ

Return ক্লিক করে লগআউট করুন করে পুনরায় লগিন করলে চেঞ্জগুলো দেখতে পাবেন। আবার এনেবল করতে চাইলে false থেকে সেটিংস এর মান true করে সেইম কমান্ড ব্যবহার করতে হবে।

2. Time Machine এর ডিফল্ট ব্যাকাপ পিরিয়ড চেঞ্জ করা

বাই ডিফল্ট, Time Machine প্রতি ঘণ্টায় একটি ব্যাকাপ নেয়। কিন্তু এই সময়ের সেটিংস টার্মিনাল থেকে চেঞ্জ করা যায়। এটি করতে নিচের কমান্ডটি ব্যবহার করুনঃ

তাহলে এখন থেকে Time Machine এর ব্যাকাপ প্রতি ৩০ মিনিট পরপর হবে। মান চেঞ্জ করার জন্য, 1800 সেট করুন, ইন্টারভাল টাইম সেকেন্ডে সেট করতে হবে ( যেমন ১৫ মিনিটের সেকেন্ডে মান হবে 900, তাই এখানে 900 সেট করুন)। এউই কমান্ড ব্যবহারে sudo ব্যবহার করতে হয়, তাই এন্টার দেয়ার আগে দেখে নিতে হবে কমান্ড ঠিক আছে কিনা (কমান্ড এক্সিকিউট হওয়ার আগে সিস্টেম পাসওয়ার্ডের জন্য প্রম্পট উঠে আসবে)।

৩। ড্যাশবোর্ড উইজেট ড্র্যাগ করে ডেস্কটপে আনা

আমি অনেক সময় ভুলেই যাই যে ম্যাকে একটা ড্যাশবোর্ড আছে। আসলে, এটি ব্যবহারের তেমন দরকারই পরে না। আসলে উইজেটগুলো অপারেটিং সিস্টেমে থাকায়, সেগুলো চোখে পড়ে না। উইজেট ড্র্যাগ করে ডেস্কটপে ফেলার জন্য এই কামন্ড ব্যবহার করুনঃ

এবার রিস্টার্ট দিয়ে F12 ফাংশন কি চেপে পছন্দের উইজেট ড্র্যাগ করে ডেস্কটপে নিতে পারবেন। এখন উইজেট ওপেন অ্যাপ্লিকেশনের উপর ফ্লোট করবে, অনেকটা Windows 7 এর মত।

ডিসেবল করতে YES এর যায়গায় NO বসিয়ে সেইম কমান্ড ব্যবহার করুন। আবারও রিস্টার্ট দিনে নিন।

৪। Lion/Mountain Lion এর অটো রিস্টার্ট ফিচার ডিসেবল করা।

এই ফিচারটি অনেক বিরক্তিকর এবং অনেকেরই এটা পছন্দ না। এটি ডিসেবল করারও একটি উপায় আছে। এটা একটি কমান্ড দিয়ে করা সম্ভব না, তাই প্রতি অ্যাপ্লিকেশনের জন্য এটা সেপারেটলি বন্ধ করে নিতে হবে। Preview ডিসেবল করতে চাইলে এই কমান্ড ব্যবহার করুনঃ

QuickTime আরেক অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ, এটা ডিসেবল করতেঃ

প্রতি চেঞ্জের পরেই রিস্টার্ট দিতে হবে। আর আবার এনেবল করতে চাইলে সেইম কমান্ডে false এর যায়গায় true বসিয়ে আবার এক্সিকিউট করতে হবে। (এতক্ষণে অনেকেই হয়ত ব্যবপারটা বুঝে ফেলেছেন!)

৫। ফাইল ফাইন্ডারে হিডেন ফাইল শো করুন

OS X এ বাই ডিফল্ট হিডেন ফাইল লুকানো থাকে (যেমন সিস্টেম ফাইল), আনহাইড করতে যে কমান্ড আমরা ব্যবহার করব সেটা হলঃ

আবার হাইড করতে একই কমান্ডে false এর যায়গায় true বসিয়ে ব্যবহার করুন।

৬। স্ক্রিনশটের ফাইল ফরম্যাট চেঞ্জ করা

বিল্ট ইন শর্টকাট দিয়ে OS X এ স্ক্রিনশট নিলে সেটা বাই ডিফল্ট PNG ফাইল হিসেবে সেইভ হয়। এটা চেঞ্জ করতে নিচের কোড টাইপ করুনঃ

file-extension এর ভ্যালু চেঞ্জ করে JPG দিতে পারেন। আবার এডোবির মত PDF ও দিতে পারেন। টার্মিনালে কাজ করা সহজই, তাই না?

৭। ড্যাশবোর্ড পার্মানেন্টলি সাসপেন্ড করা

উইজেট ড্র্যাগ না করে যদি ড্যাশবোর্ড একেবারে ডিসেবল করে দিতে চান (পুরোনো ম্যাকগুলায় র‍্যাম কম থাকায় মাঝে মাঝে ড্যাশবোর্ডের জন্য সেটা স্লো হয়্যে যায়), তাহলে সেটার জন্য কমান্ড হচ্ছেঃ

আবার ডক রিস্টার্ট করার কমান্ডঃ

চিচিং ফাক! ড্যাশবোর্ড গায়েব। পুনরায় চালু করতে YES এর যায়গায় NO বসিয়ে সেইম কমান্ড আবার রান করুন।

৮। ফ্রি স্পেস নিরাপদে ইরেজ করা

ম্যাকের OS X এ ফাইল ডিলিট করার পরেও কিছু ফ্র্যাগমেন্ট ড্রাইভে রয়ে যায়। যতক্ষণ না সেগুলার উপর নতুন কোন ফাইল রাইট হয়। এই ফ্র্যাগমেন্টগুলা ইরেজ করতে (করার প্রয়োজন হয় অনেক সময়, যেমন মেশিন বিক্রি করার আগে) এই কমান্ড ব্যবহার করুনঃ

/name-of-drive এর যায়গায় নেই ডাইরেক্টরি ইজের করতে চান সেটার নাম লিখুন এই কমান্ড একটি অ্যালগরিদমের সাহায্যে খালি স্পেস ৩৫বার ওয়াইপ করে, যেখানে US Department of Defense এর স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে মাত্র ৭ বার ওয়াইপ করা। খেয়াল রাখতে হবে, এটা করতে বড় ড্রাইভে কয়েকদিনও লাগতে পারে।

লোকাল ড্রাইল ও পার্টিশন ভলিউম ম্যানেজ করতে আমরা diskutil কমান্ড ব্যবহার করি, এরপর টার্মিনালে কিছু সিম্পল কমান্ড দিয়ে কাজ শুরু করা যায়। এই কমান্ডে রুট অ্যাকসেস লাগে।

৯। ম্যাকে রিমোট অ্যাকসেস

যখন ব্যান্ডউইদ সীমিত, তখন SSH দিয়ে ম্যাক রিমোটলি কন্ট্রোল করা, বা একটি সিকিওর শেল ব্যবহার করা অনেক সুবিধাজনক। প্রথমে ম্যাকে Remote Login এনেবল করতে হবে, System Preferences -> Sharing -> Remote Login এ ক্লিক করে এটি এনেবল করুন।

SSH MacSSH MacSSH Mac
কিছু স্টার্ট করার আগে অবশ্যই রিমোট লগিন অন করে নিবেন

একটা সবুজ লাইট আসবে, সাথে একটা আইপি অ্যাড্রেস আসবে যেটা দিয়ে টার্মিনাল থেকে লগিন করা যাবে। লোকাল ম্যাকের সাথে এই রিমোট কানেকশন (নিজের মেশিন) এনক্রিপটেড, তাই সকল ডাটা আদান প্রদান নিরাপদ।

নিজের ম্যাক থেকে অন্য ম্যাকে লগিন করতেঃ

username এর যায়গায় যেই অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগিন করতে চান, আর যেই ম্যাকে রিমোট লগিন করবেন সেটার আইপি remote-address এ বসান। এখন আপনার ম্যাক থেকে রিমোট ম্যাকের টার্মিনালে কমান্ড রান করা যাবে।

১০। ম্যাকের ভয়েস কমান্ড এনেবল করা!

say কমান্ড ব্যবহার করে ম্যাকের ভয়েস কমান্ড চালু করুনঃ

কথায় শব্দগুলো ম্যাকের ডিফন্ট ভয়েসে আসবে, কিন্তু আপনি এটি চেঞ্জ করে নিতে পারবেন, System Preferences এ গিয়ে Dictation and Speech (Mountain Lion এ) অথবা শুধু Speech (Lion এ) যান। এখান থেকে Apple সার্ভারে থাকা অন্যান্য ভয়েস ডাউনলোড করে ইচ্ছা মত সেট করে নিতে পারবেন। আরেকটি "উপকারী" জিনিষ যেটা এখন থেকে করা যায়, সেটা হচ্ছে একটা ফাইলের টেক্সট টু স্পিচ কনভার্সন। জাস্ট লেখুনঃ

FILENAME.txt এর যায়গায় আপনার ফাইলের নাম। এটি AIFF ফরম্যাটে টেক্সট ফাইলের রিডিং করে একটি audio.aiff ফাইল তৈরি করে টার্মিনালের ডিফন্ট ডাইরেক্টরিতে জমা করবে।

টিপঃ জানেনটি ম্যাকের অপারেটিং সিস্টেমের নাম কিভাবে উচ্চারণ করে? "OS ten" নাকি "OS ex?" আপনার ম্যাকের রয়েছে এর উত্তর! টার্মিনালে "say OS X" টাইপ করুন। উত্তরে আপনি জানতে পারবেন আসল উচ্চারণ কি।

পরিশেষ

টার্মিনাল ব্যবহার করা আসলে অতটাও খারাপ না - আশা করি এই টিউটোরিয়াল থেকে আপনি তা বুঝতে পেরেছেন। এছাড়াও আরও অনেক কাজ টার্মিনাল থেকে করা যায়। এমনটি ওয়ালপেপারও চেঞ্জ করা যায়।

আপনার কিছু বলার থাকলে তা কমেন্ট সেকশনে জানান। আপনি আপনার পছন্দের কমান্ডও আমাদের লিখে জানাতে পারেন। আশা করি এই টিউটোরিয়াল Mactuts+ পাঠকদের কাজে লাগবে!

আর এনভাটো মার্কেটে আমাদের Mac apps গুলো চেক করতে ভুলবেননা যেন।

Advertisement
Advertisement
Looking for something to help kick start your next project?
Envato Market has a range of items for sale to help get you started.